ঢাকাশুক্রবার, ৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:৩৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ববিতে বেড়েছে মশার উপদ্রব

ববি প্রতিনিধি
অক্টোবর ২৭, ২০২২ ৫:২১ অপরাহ্ণ
পঠিত: 124 বার
Link Copied!

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) দিনশেষে অন্ধকার নামলেই শুরু হয় মশার উপদ্রব। উপদ্রব অতিমাত্রায় বাড়ায়, মশার কামড়ে অতিষ্ঠ ববি শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনগুলোর মাঝখানে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, বিভিন্ন জায়গার অপরিচ্ছন্ন পুকুর ও খালগুলোর জলাবদ্ধতা এবং প্রচুর ঝোপঝাড়, জঙ্গলের কারণেই মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, সন্ধ্যা নামলে মশার উৎপাতে ক্যাম্পাসের কোথাও আমরা শান্তিতে বসতে পারিনা। মশার কারণে আমরা অতিষ্ঠ। আমাদের ভয় হয়, মশার জন্য কোন রোগে আক্রান্ত হই কি না। এদিকে, প্রশাসনও মশা নিধনে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আহসানউল্লাহ বলেন, ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, সন্ধ্যার পর গ্রুপ স্টাডি, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া মশার কামড়ে তা সম্ভব হয় না। এছাড়া, আবাসিক শিক্ষার্থীরা রাতে পড়তে বসলে মশার জন্য ভালোমতো পড়তে পারি না।

আবাসিক হলগুলোর কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা হলে তারা জানান, হলের তৃতীয় তলা পর্যন্ত মশার উপদ্রব বেশি। যার কারণে তাদের পড়াশোনাসহ নানা কাজে সমস্যা হচ্ছে।

তারা আরো জানান, হলগুলোর আশেপাশে প্রচুর ঝোপঝাড়, জঙ্গল ও অপরিচ্ছন্ন জলাবদ্ধ জায়গাগুলোর কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও দেখা যায়, সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির রিডিং রুম ও বারান্দায় পড়তে বসা শিক্ষার্থীরা মশার উপদ্রবে ঠিক মতো পড়াশোনা করতে পারছে না।

হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বরিশালসহ সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি করছে। এছাড়াও, মশার কামড়ে নানা রোগের ভাইরাস ছড়ায়। তাই, মশার কামড় থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য মশার ওষুধ ছিটানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবে এটাই প্রত্যাশা।

এ বিষয়ে ডা. মো. তানজীন হোসেন বলেন, সাধারণত অপ্রবাহিত ডোবা বা ছোট পুকুর অপরিচ্ছন্ন থাকলে, সেগুলো থেকে মশার জন্ম হয়। এছাড়া, ভার্সিটিতে অনেকে ময়লা, ডাবের খোসা, পলিথিন ফেলে। এইসবে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা জন্ম নেয়। আমি মনে করি, ক্যাম্পাসে এধরণের আবর্জনা পরিষ্কার করা এবং এক্ষেত্রে সচেতনতা ও প্রতিরোধটাই জরুরি।

মশা নিধনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. মো. খোরশেদ আলম বলেন, করোনার শেষে ক্যাম্পাস ওপেন হওয়ার পর আমরা সিটি কর্পোরেশনকে মশা নিধনের জন্য বলেছিলাম এবং তারা এসে কয়েকবার মশা নিধনের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে, আমরা আবার বলবো এবং আশেপাশের যে ঝোপঝাড় আছে তা পরিষ্কার করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিব।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।