ঢাকাবুধবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:২৩
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পিরোজপুরে ওসিকে ফাসাতে একাধিক মামলার আসামীর সংবাদ সম্মেলন

মুক্তবার্তা ডেস্ক
মে ৩০, ২০২২ ৭:২১ অপরাহ্ণ
পঠিত: 197 বার
Link Copied!

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. জা. মো. মাসুদুজ্জামান মিলুর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ১ম শ্রেণীর ঠিকাদার ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল। পিরোজপুর সদর থানার ওসি মাসুদুজ্জামান জানায়, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সংবাদ সম্মেলন করেন ওই ঠিকাদার।

তিনি বলেন, ওই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে পিরোজপুর সদর থানায় বেশ কয়েকটি মামলা আছে। যার এফ আই আর নং: ৮/১১৬, তারিখ: ১১ মে ২০২২, এফ আই আর নং: ৭, তারিখ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, এফ আই আর নং: ৯, তারিখ: ১০ জুন ২০১২, এফ আই আর নং: ৯, ৮ জানুয়ারী ২০১২, এফ আই আর নং: ৬, তারিখ: ৬ অক্টোবর ২০১০।

রাসেল তার বিরুদ্ধে মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য ওসিকে প্রস্তাব দিলে এবং অবৈধ উপায়ে ওসিকে ম্যানেজ করতে না পারায় ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে। শনিবার (২৮ মে) বেলা সাড়ে ১১ টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে ঠিকাদার ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা অভিযোগ করেন। পিরোজপুর সদর উপজেলার পশ্চিম শিকারপুর মেসার্স সরদার ইলেকট্রনিক্সের স্বত্ত্বাধিকারী তিনি।

লিখিত বক্তব্যে ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল বলেন, তার চাচা এনায়েত হোসেন সরদারের সাথে পারিবারিকভাবে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছিল। এনায়েত হোসেন সরদার তাকে ঘায়েল করতে চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি বাসার কেয়ারটেকার দিয়ে থানায় ১৮ হাজার ৫০০ টাকা চুরির অভিযোগ দায়ের করান। ওসি সেই অভিযোগের কোন ধরণের প্রাথমিক তদন্ত না করে সরাসরি এজাহার হিসেবে গ্রহন করেন (মামলা নং ০২/৩২)। এছাড়া সেই একই বাদীর দ্বারা ১১ মে ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেলের নিজের জমিতে উত্তোলিত ঘর থেকে মিটার চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগও তদন্ত ছাড়া মামলা হিসেবে গ্রহন করে আমাকে গ্রেফতার করা হয়। (মামলা নং ০৮/১১৬)। একই সাথে গ্রেফতারের ছবি তুলে স্বপ্রনোদিত হয়ে ওসি বিভিন্নজনকে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করান।

ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল আরো বলেন, আমি প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। আমার মা, ভাই ও বোন ইউরোপে বসবাস করেন। অথচ আমার বিরুদ্ধে একই বাদী দিয়ে অভিযোগ আনা হয়েছে আমি সামান্য সাড়ে ১৮ হাজার টাকা চুরি করেছি। শুধু সেখানেই শেষ নয় আমার নিজের ঘরের মিটার চুরি আমি নিজে করেছি এমন মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় কারাভোগও করতে হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে ওসি আ. জা. মো. মাসুদুজ্জামান মিলু পিরোজপুর সদর থানায় যোগ দেওয়ার পরে বিভিন্ন জনের মাধ্যমে আমাকে খবর পাঠাতেন এবং ডেকে মাসোহারা দাবি করতেন আমার কাছে। আমি দিতে অস্বীকার করায় তিনি বলেছিলেন, আমাকে এমন ক্ষতি করবেন যেন কারো কাছে মুখ দেখাতে না পারি। আমি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হলেও আমার বিরুদ্ধে একের পর এক চুরির মামলা তদন্ত ছাড়া গ্রহন করে তার মনে জমে থাকা ক্ষোভের প্রতিশোধ নিচ্ছেন। রাসেল উক্ত মামলার পূণরায় তদন্তর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি ও বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। একই সাথে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান।

এ বিষয়ে ওসি আ. জা. মো মাসুদুজ্জামান মিলু বলেন, জমি বিরোধের জের ধরে তার চাচার সাথে বিরোধ আছে। চাচা মামলা দায়ের করলে আমার কিছুই করার নেই। একই ব্যাক্তির বিষয়ে একই বাদী একই অভিযোগে একাধিক মামলা দিতে পারেন কিনা প্রশ্নের জবাবে বলেন, ঘটনাস্থল আলাদা হলে আমি নিতে বাধ্য।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এসপি স্যার জনাব মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান এর দিক নির্দেশনায় আমরা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে দায়িত্ব পালন করছি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।